বিশ্বজিৎ সিং সর্দার, পুরুলিয়া:
ব্লক সভাপতিদেরকে নিয়ে পুরুলিয়া জেলা তৃণমূলের বৈঠকে গরহাজির স্বয়ং দলীয় চেয়ারম্যান-ই। শনিবার পুরুলিয়া শহরের দেশবন্ধু রোডে জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে ব্লক সভাপতিদেরকে নিয়ে বৈঠকে জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান হংসেশ্বর মাহাতো না থাকায়
দলের অন্দরে কানাঘুষো চলছে। যেখানে জেলা চেয়ারম্যানই উপস্থিত নেই। সেখানে সহ-সভাপতি সুষেন মাঝি ও পুরুলিয়া জেলা পরিষদের মেন্টর অঘোর হেমব্রম কেন ছিলেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। পুরুলিয়া জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান হংসেশ্বর মাহাতো বলেন, ” ব্লক সভাপতিদেরকে নিয়ে বৈঠকের বিষয় আমি জানি না। আমাকে কোন জানানো হয়নি। “
রাজ্য তৃণমূল সূত্রে খবর, চলতি মাসেই সমগ্র রাজ্য সহ পুরুলিয়া তৃণমূলে বড়সড় রদবদল হতে চলেছে। তার আগে এই বৈঠক দলের অভ্যন্তরে জল্পনা বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রায় ২ মাস পর ব্লক সভাপতিদেরকে নিয়ে এদিন বৈঠক করে জেলা তৃণমূল। আরজিকর ইস্যুতে বিরোধীদের অপপ্রচার ও কুৎসার জবাব সেভাবে দিতে পারেনি পুরুলিয়া জেলা তৃণমূল। এমনকি উৎসবের মরশুমে জেলা তৃণমূলের তরফে কোন দিশা না দেখানোয় দলের সর্বস্তরের নেতারা সেভাবে জনসংযোগও সারতে পারেনি। সবে মিলিয়ে এই জেলায় তৃণমূল একেবারেই ছন্নছাড়া। গত বিধানসভা ও লোকসভা ভোটে পুরুলিয়া ও ঝালদার কাউন্সিলারদের অন্তর্ঘাতের কারণেই পুরুলিয়া লোকসভা আসন তৃণমূলকে হারতে হয়। একই কারণে বিধানসভা নির্বাচনেও পুরুলিয়া আসন হারতে হয় শাসক দলকে। ওই কাউন্সিলারদের বিরুদ্ধে আজও কোন ব্যবস্থা না হওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছে দলের নিচুতলা। এদিনের বৈঠকে সেই বিষয়টিও উঠে আসে। দাবি ওঠে ওই কাউন্সিলারদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে। এদিন জেলা সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া ব্লক সভাপতিদেরকে নির্দেশ দেন আবাস বিষয়ে কোন দলীয় হস্তক্ষেপ হবে না। ১২ নভেম্বর থেকে ভোটার তালিকায় নাম তোলার কাজে সকলকে তৎপরতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।











Post Comment